দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এবং নানা সমালোচনার মুখে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার চলমান কার্যক্রম স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সোমবার রাতে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আপাতত এমপিওভুক্তির এই কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।’
অভিযোগ উঠেছে, মাত্র ছয় কর্মদিবসের মধ্যে ৩ হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন যাচাইয়ের দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করে শিক্ষামন্ত্রণালয়। নির্বাচনে আগেই এই কাজ শেষ করতে মরিয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটা সিন্ডিকেট। দ্রুত গতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তালিকা নেপথ্যে রয়েছে আর্থিক লেনদেন ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ। শিক্ষক নেতা ও মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই তালিকা তৈরির অভিযোগ উঠেছে।
এমপিওভুক্তির মতো একটি সংবেদনশীল প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়ায় এবং দুর্নীতির অভিযোগগুলো জোরালো হওয়ায় সরকার শেষ পর্যন্ত এই কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই এমপিও কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-৩-এর উপসচিব সাইয়েদ এজেড মোরশেদ আলী। তার বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার বিষয়টি স্বাভাবিক কার্যক্রম। এতে কোনো তাড়াহুড়া করা হয়নি। এতে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সঠিক নয়। আর আমি অনিয়মের সাথে জড়িত নই।’
