ঢাকামঙ্গলবার , ৩ মার্চ ২০২৬
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল চক্র গ্রেপ্তার

জয়পত্র ডেস্কঃ
মার্চ ৩, ২০২৬ ৫:০৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিনিধি ।। সম্প্রতি ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণ থেকে দালাল চক্রের ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে প্রশাসন। অভিযানে অভিযোগ করা হয়, এসব দালাল রোগীদের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাতে প্রলুব্ধ করতেন এবং বিনিময়ে কমিশন পেতেন। অভিযানের পর এলাকায় স্বস্তি ফিরলেও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিরা যদি দালাল হিসেবে চিহ্নিত হন,তবে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে একই প্রশ্ন কেন উঠছে না ?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,কিছু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধি ও মধ্যস্থতাকারীরা রোগীদের নির্দিষ্ট কেন্দ্রে পাঠিয়ে কমিশন নিতেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টদের একাংশের দাবি,ওষুধ কোম্পানির কিছু প্রতিনিধিও চিকিৎসকদের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ বেশি লিখতে উৎসাহিত করেন। অভিযোগ রয়েছে,চিকিৎসকদের জন্য সেমিনার,ভ্রমণ বা উপহার স্পন্সর করা , বিভিন্ন প্রকার আর্থিক বা অ-আর্থিক সুবিধা প্রদান, বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চাপ সৃষ্টি-এসব কৌশলের মাধ্যমে বাজারে প্রভাব বিস্তার করা হয়।
অসাধু চিকিৎসকদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবার সাথে জড়িত সচেতন মহলের,সব চিকিৎসক বা প্রতিনিধিকে এক কাতারে ফেলা ঠিক নয়। তবে কিছু অসাধু চিকিৎসক যদি ব্যক্তিগত লাভের আশায় রোগীদের অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা বা নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন, তাহলে তা নৈতিকতা ও চিকিৎসা নীতিমালার পরিপন্থী।
একজন ভুক্তভোগী রোগীর ভাষ্য,“ডাক্তার দেখানোর পর একই সঙ্গে নির্দিষ্ট টেস্ট সেন্টার ও নির্দিষ্ট ওষুধের তালিকা ধরিয়ে দেওয়া হয়। বাইরে করলে রিপোর্ট গ্রহণ করা হবে না—এমন কথাও শোনা যায়।” প্রশাসনের ভূমিকা ও জনমতের প্রশ্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালবিরোধী অভিযানকে সাধারণ মানুষ স্বাগত জানালেও প্রশ্ন তুলছেন—অভিযান কি কেবল দৃশ্যমান দালালদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে,নাকি পুরো ব্যবস্থার ভেতরে থাকা অনিয়মও খতিয়ে দেখা হবে ।