ঢাকাশনিবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৪
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অভিনব কায়দায় বিদ্যুত মিটার চুরি

জয়পত্র ডেস্কঃ
অক্টোবর ১৯, ২০২৪ ৪:১৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিনিধি ।। ঈশ্বরদী উপজেলার পাবনা ঈশ্বরদী মহাসড়কের পাশে ঢুলটি বাজারে অভিনব কায়দায় একই রাতে চারটি বিদ্যুত মিটার চুরি হয়েছে। মিটার চুরি করার পরে চোর প্রতিটি মিটারের তারের গায়ে মিটারের নম্বর লিখে চোরের মোবাইল নম্বর লিখে স্টিকার ঝুলিয়ে চলে যায়। সকালে ওয়ার্কসপ মালিক জিয়া,রানা,কাঠ মিল মালিক শামিম ও তুলা মিলের মালিক সেলিম দোকানে এসে দেখে তাদের দোকানে বিদ্যুত নেই। অনেক সময় অপেক্ষার পর বিদ্যুত নাই কেন যাচাই করতে গিয়ে দেখতে পান বিদ্যুতের তার আছে মিটার নাই। পর্যায়ক্রমে সবাই একই অবস্থা অবলোকন করে। পরে মিটারের তারে জড়ানো কাগজে লেখা ০১৮৮৫-৮২৪০৫৪ মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে ওপর প্রান্ত থেকে চোর ০১৯১৫-৪৪৪৫৯৭ এর একটি নগদ নম্বর দিয়ে মিটার প্রতি ২ হাজার টাকা বিকাশ করলে মিটারের সন্ধান দিলে তা উদ্ধার করা হয়। শেষের মিটারের মালিক শামিম টাকা দিতে গড়িমসি করলে তার নিকট ৩ হাজার টাকা দাবি করে। চোরের সাথে অনেক অনুনয় বিনয় করে একটু দেরীতে টাকা দেওয়ার কারনে টাকা নিয়েছে কিন্তু মিটারের সন্ধান দেন নাই ফলে শামিমের টাকাও গায়েব,মিটারও গায়েব।
সন্ধার পরে শামিম যখন চোরের নম্বরে ফোন দেয়,তখন তার ফোন নম্বর বন্ধ পান,তখন শামিম একটু চালাকি করে নগদ নম্বরে ফোন দিলে ওপাশ থেকে ধরে বলে এটা বগুড়ার মিতু কম্পিউটার । বিয়য়টা দোকানদারকে খুলে বললে তিনি বলেন,কত লোকই দো আসে এবং টাকা তুলে নিয়ে যায়,আমার তো এ ব্যাপারে কিছু করার নেই বলে ফোন রেখে দেন।

এ ব্যাপারে মিটারে মালিকরা দাশুড়িয়া পল্লী বিদ্যুতের জিএমে সাথে দেখা করতে গেলে সে পাবনায় একটি মিটিং এ থাকায় এজ্মি এর সাথে কথা বলতে গেলে তিনি কোন রকম অনুশোচনা না দেখিয়ে অনেকটা খুশি হয়ে বলেন,এ চেয়ারে বসে তো আর বেশী কিছু বলতে পারছি না তবে শোনেন, নতুন করে মিটার লাগাতে গেলে ২০/২২ হাজার টাকা খরচ হবে,তার চেয়ে চোরের সাথে একটু যোগাযোগ করে দেখেন মিটার উদ্ধার করতে পারেন কিনা।
মিটার চুরির বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী ও অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলামকে জানালে তারা বলেন,বিদ্যুত অফিসের কিছু অসৎ লোকজনের যোগসাজসে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ কাজে জড়িত । এক সময় এটা নিয়ে কাজ করেছি,মাঝখানে বাদ দিয়েছি,আর চক্রটি আবার সক্রিয় হয়েছে,মোবাইল মিটারের মালিকদের মোবাইল নম্বর দিয়েন,আমি আমার লোক পাঠিয়ে বিষয়টি দেখতে বলছি। তবে সাধারন মানুষ বলছে,যে সব তথ্য প্রমান রয়েছে,তা দিয়ে যদি পুলিশ একটু আন্তরিক হয় আর চেষ্টা করে তাহলে অবশ্যই এ চক্রকে ধরা সম্ভব।

Uncategorized সর্বশেষ