ঢাকাশনিবার , ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জুমার খুতবায় গণভোট নিয়ে আলোচনায় এনএসআই কর্মকর্তার বাঁধা !

জয়পত্র ডেস্কঃ
জানুয়ারি ২৪, ২০২৬ ৭:৫১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জয়পত্র ডেষ্ক ।। জেলা প্রশাসক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্দেশনায় আসন্ন গণভোট নিয়ে জুমার খুতবায় আলোচনা চলাকালে মসজিদের ইমামকে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা-এনএসআই’র এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) পাবনা সদর উপজেলার আরিফপুর জেইউএস ফাযিল মাদ্রাসা মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা-এনএসআই’র রাজশাহী বিভাগীয় যুগ্ম-পরিচালক এবং পাবনা সদর উপজেলার হাজিরহাটের মাদারবাড়িয়া এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে।
মসজিদের ইমাম ও মুসল্লিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্দেশনায় মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান করছিলেন ইমাম আহসান উল্লাহ। এসময় মুসল্লি সারি থেকে বয়ানের প্রতিবাদ করেন এবং গণভোট সংক্রান্ত বক্তব্য বাদ দিয়ে নামাজ পড়াতে বলেন। এসময় তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ইমাম সাহেব জেলা প্রশাসকের নির্দেশনার কপি দেখালেও তা ছুড়ে ফেলেন দেন এবং নিজেকের ডিবির চেয়ে বড় কর্মকর্তা দাবি করে ইমামকে মা’রতে তেড়ে যান। এসময় অন্যান্য মুসল্লিরা ইমামের পক্ষে দাঁড়ান। পরে নামাজ শেষে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল্লাহ আল মামুন ছাত্রজীবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাবা মুক্তি’যো’দ্ধা ও আওয়ামী লীগ পরিবারের পরিচয় দিয়ে প্রভাববিস্তার করেন। ছাত্রলীগ ও বাবা মুক্তিযোদ্ধার সুযোগেই ২০১২ সালে এনএসআইয়ের চাকরি হয়েছে বলে এলাকায় গুঞ্জন আছে। তার বাবার মু’ক্তি’যো’দ্ধা’র সনদ নিয়েও এলাকায় নানা বিতর্ক আছে।
এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ করে অভিযুক্ত এনএসআই কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এখানে একটু ভুল হয়েছে। ইমাম সাহেব সংবিধানসহ কিছু বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এসময় আমি ইমাম সাহেবকে কোরআন-হাদিসের বক্তব্য দেয়া কথা বলেছি। কিন্তু গণভোট নিয়ে কিছু বলেনি, কারণ আমরাও গণভোটের পক্ষে। আপনার প্রতি অনুরোধ থাকে এটা নিয়ে ইয়ে (নিউজ) হলে আমার চাকরির সমস্যা হবে। তাই ভাই হিসেবে এটা (সংবাদ না করতে) বিবেচনায় করতে অনুরোধ করছি।’
এ বিষয়ে পরবর্তীতে ওই কর্মকর্তা জানান, ঘটনা ও বক্তব্য সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় নি।
এবিষয়ে পাবনা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তফা বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতাম না, আপনার কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। দেখি আমি এখন বিষয়টি নিয়ে খোজখবর নিই, পরে বিস্তারিত বলতে পারবো।