ঢাকাবুধবার , ৩০ অক্টোবর ২০২৪
  • অন্যান্য

জামায়াত সরকার গঠন করলে ৫৩ বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সরকার হবে : পাবনায় অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল

জয়পত্র ডেস্কঃ
অক্টোবর ৩০, ২০২৪ ৫:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে আগামীতে দেশের মানুষ সংসদে দেখতে চায়। এজন্য অধীর আগ্রহে চেয়ে আছে তারা। জামায়াত দেশে সরকার গঠন করলে যেটা হবে ৫৩ বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সরকার হবে ইনশাআল্লাহ । জামায়াতের দুইজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এক টাকারও দুর্নীতি খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও দেশ গঠনে জামায়াত কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সোনার দেশ উপহার দিতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও পাবনা জেলা আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল।
সোমবার (২৮ অক্টোবর বিকেলে পাবনার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল পৌর চত্তরে (টাউন হল ময়দান) মাঠে ২৮ অক্টোবর ২০০৬ আওয়ামী লগি-বৈঠাধারী সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পাবনা পৌর জামায়াতের আমির অধ্যাপক রকিব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল আইনুলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইকবাল হোসাইন, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান।
অন্যান্যের মধ্যে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মো. আব্দুর রব, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি রেজাউল করিম, পাবনা শহর শিবিরের সভাপতি ফিরোজ হোসেন, মাওলানা আব্দুল লতিফ, জাকির হোসাইন, নায়েবে আমির খন্দকার জাকারিয়া হোসাইন,পৌরসভার সহকারী সেক্রেটারি ইকরাম হোসাইন, পৌর নায়েবে আমির আব্দুল কাদের, সদর উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল ইসলাম শহীদ জাহিদুল ইসলামের পিতা দুলাল উদ্দিন প্রমুখ।
অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল বলেন,১৬ বছর আগে ২৮ অক্টোবরের পথ ধরেই আওয়ামী লীগ দেশে যে সন্ত্রাসী রাজনীতি শুরু করেছিল তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিদায় নিতে হয়েছে। শেখ হাসিনার নির্দেশেই সাপের মত পিটিয়ে মানুষ হত্যা করে তার উপর নৃত্য করেছে। এটা কোন মানুষ করতে পারে না। তার সন্ত্রাসী বাহিনী ঢাকার বুকে ৭ জনকে শহীদ করেছে। শুধু শহীদই করেনি আমরা যে মামলা দিয়েছিলাম সেই মামলা শেখ হাসিনা খারিজ করে দিয়েছে। ওই মামলা আবার চালু করতে হবে। সারাদেশে শতশত ভাইকে হত্যা করেছে এর দায় হাসিনাকে নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সেই সময় থেকেই দেশকে রাজনীতিশূন্য করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা, ভোটাধিকারসহ মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেয়া হয়। জামায়াতের উপর আওয়ামী নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের উপর যে নারকীয় জুলুম নির্যাতন করেছে অন্য কোন দলের উপর করা হলে সে দল নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। ২০১৩ সালে যে নেতাকর্মী আমাদের ছিল এর চেয়ে ৫ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। যারা আমাদের শেষ করতে চেয়েছিল তারাই আজকে পলাতক। এতিমের মত পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
জেলা আমির বলেন, আওয়ামী লীগ জামায়াতকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী দল হিসেবে পরিচিত করতে চেয়েছিল। এখন তাদের ছাত্রলীগকে জঙ্গি হিসেবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হাসিনা এখন জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের গডফাদার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জামায়াতের নেতারা ফাঁসির দড়িতে হাসিমুখে ঝুলেছে। তবুও পালিয়ে যায়নি। হাসিনার সংসদ সদস্যসহ সব নেতাকর্মী পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে বলা হয় সাম্প্রদায়িক শক্তি। পুরো দেশ দেখেছে আওয়ামী লীগের লোকজন মূর্তি ভেঙে জামায়াতকে দোষারোপ করতে চেয়েছিল। জামায়াতের কেউ চাঁদাবাজি ও কারও জমি দখল করেনি।পরে দোয়ার মাধ্যমে সমাবেশ শেষ হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জেলা আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল।