অবশেষে পদত্যাগ করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। আজ শনিবার বেলা আড়াইটার পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এ কথা জানান তিনি।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে এসেছে। আমরা সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেব। তবে অন্যান্য বিচারপতির পদত্যাগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
এর আগে অপর এক ভিডিও বার্তায় আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা শান্ত হোন। আদালতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি রয়েছে। এগুলোর ক্ষতি হলে জাতির অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।
এর আগে আজ শনিবার সকালে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, প্রধান বিচারপতি অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে বৈঠক ডাকেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তারা হাইকোর্ট ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন। তাছাড়া হাইকোর্টের অন্যান্য আইনজীবীরা এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
এমন প্রেক্ষাপটে ওবায়দুল হাসান বিচারপতিদের বৈঠক বাতিল করেন। কিন্তু তারপরও হাইকোর্ট ঘেরাও করেন শিক্ষার্থী ও আইনজীবীরা। সেই সঙ্গে প্রধান বিচারপতিকে দুপুর ১টার মধ্যে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেন তারা।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন মো. আশফাকুল ইসলাম। তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্বপালন করছেন।
এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে পদত্যাগ করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তার এ পদত্যাগ সম্পন্ন হতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
