ঢাকামঙ্গলবার , ১২ ডিসেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পেঁয়াজের দরে আগুন বিক্রি সীমিত

জয়পত্র ডেস্কঃ
ডিসেম্বর ১২, ২০২৩ ৬:২৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

অভিযান পরিচালনা করা হলেও দেশের বাজারগুলোয় পেঁয়াজের দর স্বাভাবিক হচ্ছে না। এ অবস্থায় বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসন খুচরা বাজারে এক কেজির বেশি পেঁয়াজ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে রবিবার সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগে যে পেঁয়াজ মজুদ ছিল তা পাইকারি বিক্রি হবে ১২০ টাকায়, খুচরা বিক্রি হবে ১২৫ টাকা দরে। পাইকারির ক্ষেত্রে ২ বস্তার বেশি একসঙ্গে ও খুচরা ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে এক কেজির বেশি বিক্রি করতে পারবে না। একজন খুচরা ক্রেতা এক কেজির বেশি পেঁয়াজ কিনতে পারবে না।
ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করার পর রাজধানীসহ সারা দেশের বাজারগুলোয় দ্বিগুণ দাম বেড়ে যায় পেঁয়াজের। দাম না কমায় পেঁয়াজ কেনা কমিয়েছেন ক্রেতারা। জানা গেছে, নতুন দেশি পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। মজুদও আছে পেঁয়াজের। এ অবস্থায়ও চক্রের কবলে রয়েছে পেঁয়াজ বাজার। ফলে ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে বিভিন্ন বাজারে। গতকাল সোমবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দর ছিল ১৬০ টাকা তিন দিন আগে তা বিক্রি হয়েছিল ১০০-১১০ কেজি দরে। চীনের পেঁয়াজের কেজি ছিল ১১০-১২০ টাকা, মিসরের ১২৪ টাকা, ফরিদপুরের নতুন পেঁয়াজ ১২০ টাকা, ফরিদপুরের পুরান পেঁয়াজ ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। রাজশাহীর পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১৯০ টাকা কেজি দরে। খুচরা বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ ১৭০ টাকা ও দেশি পাবনার পেঁয়াজ ২২০ টাকা, ফরিদপুরের নতুন পেঁয়াজ ১১০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়।
পেঁয়াজের মূল্য সহনীয় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন । প্রয়োজনে বিকল্প উৎস থেকে তিনি পেঁয়াজ আমদানির তাগিদ দিয়েছেন। পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করে স্বাভাবিক মূল্যে বিক্রির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের এফবিসিসিআই থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয় । এ সময় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পেঁয়াজের দাম না বাড়ানোর জন্যও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।