ঈশ্বরদী প্রতিনিধি।। ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশনের উ্ত্তর দিকের শেষ প্রান্তে থেমে থাকা আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য চাইনা থেকে আমদানী করা নতুন বগির নিচে আজ ৩রা নভেম্বর শুক্রবার ভোরে লাল রঙের ৬/৭ ইঞ্চি সাইজের হাতে তৈরী ককটেল সনাক্ত করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর লোকজন । ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানা যায়,গতকাল রাত আনুমানিক আটটার দিকে নিয়মিত দায়িত্বের অংশ হিসেবে থেমে থাকা গাড়ির নিচে লাইট মেরে দেখতে গেলে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোঃ ফিরোজ হোসেন সঙ্গিয় ফোর্সসহ ককটেল সাদৃশ্য বস্তু সনাক্ত করে । বিষয়টি রাতেই রেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয় । এ ব্যাপারে রেল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি হারুনুজ্জামান রুমেলকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি । পরে স্টেশন মাষ্টার তোহিদুজ্জামান ও সুমি খাতুন জানান,আমরা রাত ১২টার দিকে খবর পেয়েছি এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করি ।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় পুলিশ সুপার মোঃ শাহাব উদ্দিন আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান,নাশকতা সৃষ্টির লক্ষে কে বা কারা ফেলে রেখে যায় । প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি,সনাক্ত বস্তুটি ককটেল সদৃশ কোন বস্তু হতে পারে । তবে রাজশাহী থেকে র্যা বের বোমা নিষ্ক্রীয়কারীদল আসছে, তাদের পর্য়বেক্ষনে প্রকৃত সত্যটি জানা যাবে । ঈশ্বরদী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সুবীর কুমার দাশ ও এসি ল্যান্ড টিএম রাহসিন কবির জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে বেলা ১০টার দিকে দিকে রাজশাহী খেকে র্যা বের বোমা ডিসপোজাল ইউনিট এসে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা বস্তুটি ককটেল বলে সনাক্ত করে এবং অক্ষত বোমাটি যাচাই-বাছাই করে পানি দিযে নিষ্ক্রিয় করে । দুইদিন আগে একই স্থানে ঢাকাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বোতলে ভর্তি পেট্রল বোমা উদ্ধার করে । বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে বোমাসদৃশ বস্তুর খবরে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে । ঘটনাস্থলে রেলওয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছে ।
