প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেই দেশের উন্নয়নের যাত্রা শুরু করেছিলেন। এখন ২০২২ সাল। মাত্র ১৪ বছরে যে অগ্রগতি হয়েছে ৭৫ সালের পর থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এর সিকি ভাগ উন্নতি হয়নি। বহিঃবিশ্বে গেলে সেখানকার লোকজন আমাদের বলেন, তোমাদের কি ম্যাজিক রয়েছে যে কিভাবে তোমরা উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিণত হচ্ছো। তখন আমরা বলি, আমাদের উন্নয়নের ম্যাজিক শেখ হাসিনা। তিনিই বাংলাদেশের ম্যাজিক তাঁর কারণেই দেশ উন্নয়নে পথে এগিয়ে চলেছে।
শুক্রবার (৩ জুন) দুপুর ১টায় ঈশ্বরদীতে লিচু মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহাবুব উল আলম হানিফ এসব কথা বলেন।
তিনি এসময় আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেই দেশের উন্নয়নের যাত্রা শুরু করেছিলেন। এখন ২০২২ সাল। মাত্র ১৪ বছরে যে অগ্রগতি হয়েছে ৭৫ সালের পর থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এর সিকি ভাগ (চারভাগের একভাগ) উন্নতি হয়নি বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্র, ২০৩১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে উপনীত হবে। উন্নয়নের ধারা এখন অব্যাহত রয়েছে।
ঈশ্বরদীস্থ বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি আয়োজিত দু’দিন ব্যাপী লিচু মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বিশ্বাস এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ।
মেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ এমপি, বিএসআরআই মহাপরিচালক ড. আমজাদ হোসেন, ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নায়েব আলী বিশ্বাস, পাবনা পৌরসভার মেয়র শরিফ উদ্দিন প্রধান, ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র ইছাহক আলী মালিথা, পাবনা সদরের উপজেলা চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান মিঠু, ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মিন্টু,ভাইস চেয়ারম্যান সালাম খান, আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তানভীর ইসলাম, পাবনা জেলা আ’লীগের সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার সৈয়দ আলী জিরু, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কোষাধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মুরাদ আলী মালিথা, উপজেলা পরিষদের পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আতিয়া ফেরদৌস কাকলী , কৃষি কর্মকর্তা মিতা সরকার প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কুয়াশা মাহমুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কুয়াশা মাহমুদ।
