ঈশ্বরদীতে মসজিদ কমিটি ও ইমামকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদারসহ ১০ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার (৬৫), শরিফুল ইসলাম (৩৪), ইমন সরদার (১৬) রকি সরদার (২৫), রেজাউল করিম রুনু সরদার (৫০), মিঠু সরদার (২৪) সাহাবুল সরদার (৩৮) কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
আবু তাহের সরদার জানান, রহিমপুর গ্রামের মসজিদ ও ইমামকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের সায়দার সরদার গংদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ছাইদার সরদারের নেতৃত্বে ৪০/৫০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী অতর্কিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র হাসুয়া, রামদা, চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মহিলাসহ প্রায় ১০ জনকে আহত করে। আহতদের ঈশ্বরদী ও রাজশাহী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে, অভিযুক্ত সায়দার সরদার জানান, বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমাদের ওপর প্রতিপক্ষরা হামলা চালিয়েছিল। জীবন রক্ষার জন্য তাদের হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করলে দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়।
এ ঘটনায় আবু তাহের সরদার বাদী হয়ে সায়দার সরদার, সিদ্দিক সরদারসহ ২৪জনের নামে ঈশ্বরদী থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
