ঢাকাশনিবার , ৮ জানুয়ারি ২০২২
  • অন্যান্য

সরকার বিদ্যুৎ ও খাদ্য উৎপাদনে রেকর্ড স্থাপন করেছে: এলজিআরডিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক
জানুয়ারি ৮, ২০২২ ৬:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার গত ১৩ বছরে দেশের বিদ্যুৎ ও খাদ্য উৎপাদনে রেকড় স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
শনিবার জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।
এর আগে, উপজেলার গুঠাইল নৌবন্দর টু কামালপুর স্থলবন্দরের মধ্যে দুটি সেতু ও সড়ক নির্মাণের প্রস্তাবিত প্রকল্প পরিদর্শন করেন এলজিআরডিমন্ত্রী। একই সঙ্গে এডিবির অর্থায়নে সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ফরিদুল হক খান অডিটোরিয়াম উদ্বোধন করেন তিনি।
এলজিআরডিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতে যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন দেশের উন্নয়ন হবেই হবেই। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতার বাইরে ছিল তখন দেশের ৬৪ জেলায় একসঙ্গে বোমা বাজি করা হয়েছিল। গত ১৩ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের বিদ্যুৎ ও খাদ্য উৎপাদনে রেকর্ড স্থাপন করেছে। একই সঙ্গে শিল্পখাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী ভারতের ভূমিকার প্রশংসা করে তাজুল ইসলাম বলেন, বন্ধু ও বন্ধুত্ব পরিবর্তন হয়। কিন্তু প্রতিবেশী কখনো পরিবর্তন হয় না। ভারত আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধে আমাদের একদিকে ছিল বঙ্গোপসাগর অন্যদিকে ছিল ভারত। যদি ভারত আমাদের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় না দিতো তাহলে বঙ্গোপসাগরে ডুবে মরা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। ভারত শুধু আশ্রয় দেয়নি, তারা আমাদের যুদ্ধে সহায়তাও করেছিল। এজন্য ভারত আজীবন আমাদের প্রতিবেশী থাকবে। আর এটাই চিরন্তন সত্য।
জামালপুরের ডিসি মোর্শেদা জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, সংরক্ষিত আসনের এমপি হোসনে আরা, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী সেখ মোহাম্মদ মহসিন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফর রহমান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জামালপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ চৌধুরী, ইসলামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল আবদুন নাসের বাবুল, পৌর মেয়র আব্দুল কাদের শেখ।