ঢাকাবুধবার , ১৫ ডিসেম্বর ২০২১
  • অন্যান্য

ঈশ্বরদীতে হৃদয় হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিসেম্বর ১৫, ২০২১ ৭:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কলেজ ছাত্র হৃদয় হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া মহাসড়ক অবরোধ করে বিােভ ও মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় রূপপুরে মোড়ে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে শত শত এলাকাবাসী অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা এসময়  হৃদয় হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবি জানান।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পাকশী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি হবিবুল ইসলাম হব্বুল, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম বাবু মন্ডল,পাকশীর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিন্টু, আ’লীগ নেতা রেজাউল করিম রাজা, পাকশী যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, পাকশী রেলওয়ে শ্রমিকলীগ সভাপতি ইকবাল হায়দার, পাকশী ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম শিমুল, রূপপুর মোড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাহীন, শিক্ষক মাসুদ রানা, নিহত হৃদয়ের বাবা মজনু মোল্লা মা রুবিনা বেগম প্রমূখ।
উলে­খ্য, নিখোঁজের তিনদিন কলেজ ছাত্র নাইমুল ইসলাম হৃদয়ের (২৫) মরদেহ সোমবার রাতে দাশুড়িয়ার নওদাপাড়ার ফারুক হোসেনের ভাড়া বাসার মেঝে খুঁড়ে উদ্ধার করে পুলিশ।
হৃদয় পাকশী ইউনিয়নের মজনু মোল্লার ছেলে ও পাবনা এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসংলগ্ন মোড়ে তাঁর ভাইয়ের বিকাশ ও ফ্যাক্সিলোডেরও ব্যবসা দেখাশুনা করতেন।
এ ঘটনায় আবুল হাসনাত মো. ইসমাইল ওরফে হাসান (৪২) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক হাসান পুলিশকে জানিয়েছেন, চাকরি দেওয়ার নামে তাঁর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন হৃদয়। কিন্তু চাকরি না দেওয়ায় হাসান হৃদয়কে রূপপুরের একটি বাড়িতে ডেকে এনে ঘুমের ঔষধ অজ্ঞান করেন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। তাঁর লাশ ১০ টুকরো করে একটি ট্রাভেলিং ব্যাগ ও একটি পালিথিনের ব্যাগে ঢুকিয়ে দাশুড়িয়ার নওদাপাড়া গ্রামে নিজের ভাড়া বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর খন্ডিত লাশ মাটির নিচে পুঁতে রাখেন।
হৃদয়ের মা বাবা মজনু জানান, একজনের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি হৃদয়। এর কয়েক ঘণ্টা পরে হৃদয়ের মোবাইল থেকে তাঁদের কাছে একটি ফোন আসে। তাতে হৃদয়ের মুক্তিপণ হিসেবে ৪০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এরপর তাঁরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।