ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মারমী গ্রামে আপন ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই ও ভাবি গুরুতর আহত হয়েছেন।
৫ নভেম্বর (শুক্রবার) সকাল ১১ টায় এ ঘটনা ঘটে।বর্তমানে ভাই ও ভাবী ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতরা হলেন, মারমী গ্রামের মৃত আয়েন উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে আবু বক্কার প্রামানিক (৬৫), আবু বক্কার প্রামানিকের প্রথম স্ত্রী তহুরা খাতুন (৫০), দ্বিতীয় স্ত্রী আছমা খাতুন (৪৮), ছেলে মোঃ সুমন (২৫) ও মোঃ মামুন (২২)।
এ ঘটনায় আবু বক্কার প্রামানিক বাদি হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন। অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, বসতবাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে পূর্ব শত্রুুতার জের ধরে শুক্রবার সকালে আবু বক্কারের সঙ্গে তাঁর আপন ছোট ভাই মোঃ আব্দুল, ভাতিজা কুদরত, নিকট আত্মীয় আঃ রহিম, মতলেব, রেনু খাতুন, বেনু খাতন, শিরিনা খান ও মমতা খাতুনের কথাকাটাকাটি ও ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়। এরই এক পর্যায়ে মোঃ আব্দুল ও তাঁর ছেলে কুদরত লাঠি, হাতুড়ি নিয়ে আবু বক্কারের উপর চড়াও হয়। আবু বক্কারকে রক্ষা করতে তার স্ত্রী ও ছেলেরা এগিয়ে তাদেরও মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত আবু বক্কার ও তহুরা বেগমকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। লাঠির আঘাতে তহুরার মাথা ফেটে গেছে ও আবু বক্কার বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন। এছাড়াও আহত দুই ছেলে ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
আহত আবু বক্কার জানান, বসত বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মোঃ আব্দুল ও তাঁর ছেলে কুদরত আমাদের সঙ্গে ঝামেলা করে আসছে। কয়েকদিন যাবত আমাদের বাড়িতে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। শুক্রবার এ নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে ওরা লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করে। আমি ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পেয়েছেন। আশাকরি তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ আব্দুলের সঙ্গে যোগাযোগ চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
