২ নভেম্বর রবিবার সকালে ঈশ্বরদীতে সচেতন নাগরবাসীর ব্যানারে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দুই ঘন্টা ব্যাপী ঈশ্বরদী বাজারের প্রধান ফটকের সামনে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ‘ঈশ্বরদী সচেতন নগরবাসী’র ব্যানারে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে স্থানীয় ২৫টি সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠকসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। এসময় সর্বস্তরের মানুষ সমাবেশ স্থলে পথসভা ও দীর্ঘ মানববন্ধন রচনা করেন।
পথসভা থেকে এসময় বক্তারা, আগামী তিন দিনের মধ্যে ২০১ বিদ্যুৎ গ্রাহকের নামে দায়েরকরা মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার, প্রি-পেইড মিটার স্থাপন প্রকল্প বাতিল ঘোষণা, নেসকো’র নির্বাহী প্রকৌশলী নূর এর অপসারণ,বদলি ও মিটার রিডার নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে সময়সীমা বেঁধে দেন। অন্যথায় হরতালসহ ঈশ্বরদীতে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।
ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন জনির সঞ্চালনায় পথসভায় বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ,ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি অধ্যাপক হাসানুজ্জামান,সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম সনু, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন,সিনিয়র সাংবাদিক এস এম রাজা, খন্দকার মাহবুবুল হক দুদু, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক আতাউর রহমান পাতা, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নান্নু রহমান,শিল্প ও বনিক সমিতির নির্বাহী সদস্য আবুল কালাম আজাদ,আকরাম রায়হান বাবু, সাবেক ছাত্রনেতা রাকিবুল হাসান আলমসহ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, প্রিপেইড মিটারের বিরুদ্ধে বুধবার ঈশ্বরদীর বিদ্যুৎ গ্রাহকের উদ্যোগে নেসকো অফিস ঘেরাও এবং পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেসকো অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের তর্কাতর্কি ও বচসা হয়। পরে নেসকোর অফিস ভাংচুরের অভিযোগে প্রি-পেইড মিটার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও অধ্যাপক আ ফ ম রাজিবুল আলম ইভানসহ ২০১ জন বিদ্যুৎ গ্রাহকের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নেসকোর আবাসিক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর নূর। এ ঘটনায় গ্রাহকসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
