দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেই ভারত সফরের আমন্ত্রণ পেলেন তারেক রহমান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে তাকে এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের পর তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ওম বিড়লা। এ সময় তিনি বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ। তিনি জানান, ভারতের স্পিকার তারেক রহমানকে সেদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং উভয় নেতা বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা বার্তা তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেন ওম বিড়লা।
এছাড়া মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজ্জু এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেও তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়।
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি বেইজিংয়ের সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। লি কিয়াং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী এবং সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদার; দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান কয়েক দশক পুরোনো।
অভিনন্দন জানালেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী : বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। মঙ্গলবার এক শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি আশা প্রকাশ করেন, জাপান ও বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’র ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার ও সম্প্রসারিত হবে। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপান অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে আসছে।
