ঢাকাশুক্রবার , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকার গঠনের পথে বিএনপি

জয়পত্র ডেস্কঃ
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ঐতিহাসিক, স্বতঃস্ফূর্ত, শান্তিপূর্ণ ব্যালটবিপ্লব দেখল বিশ্ব। রক্তস্নাত গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রায় দিয়েছে জনগণ। এতে ২ শতাধিক আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আর সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। বিচ্ছিন্ন দুয়েকটি ঘটনা ছাড়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ ভোট সার্বিকভাবে ছিল শান্তিপূর্ণ। সারা দেশে ৬১ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে হওয়া রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে গণভোটে হ্যাঁর পক্ষ হয়েছে জয়জয়কার।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত দেড়টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যানুযায়ী, ২৯৯ আসনের মধ্যে ভোটের ফল মিলেছে ২৪৫ আসনের। সেখানে বিএনপি ১৭৫ আসনে, জামায়াতের জোট ৬০ আসনে এবং স্বতন্ত্রসহ অন্যরা ১০ আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বেশকিছু আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোট দিলেন দেশের ভোটাররা।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একইসঙ্গে চলে রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে গণভোট। ভোটাররা গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের বেশকিছু মৌলিক পরিবর্তন আনার প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে নিজেদের মত জানান। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়ে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের সূচনা ঘটতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি। নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকা-১৭ আসন ও বগুড়া সদরে তারেক রহমানের জয় : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। তিনি ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। এদিকে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান ৪৬ হাজার ৮৪০ ভোট পেয়েছেন। তিনি ডা. খালিদুজ্জামান থেকে ৭ হাজার ৯৮৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী মির্জা ফখরুল : ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা ফখরুল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন মোট ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৩৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪১২ ভোট। অর্থাৎ ৯৬ হাজার ২২৩ ভোটের ব্যবধানে মির্জা ফখরুল নির্বাচিত হয়েছেন।
রংপুর-১ আসনে জামায়াতের জয় : রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক রংপুর সিটি করপোরেশন) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক রায়হান সিরাজী। ১৩৯টি কেন্দ্রের সবগুলোর গণনা শেষে প্রাপ্ত ফলে দেখা যায়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে রায়হান সিরাজী পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৮ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪০৭ ভোট। দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৮০ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছেন রায়হান সিরাজী।
বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী এনসিপির আখতার হোসেন : রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। ১৬৩টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে শাপলা কলি প্রতীকে আখতার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ৮ হাজার ৩৩১ ভোট। তবে পোস্টাল ভোটের তথ্য পাওয়া যায়নি।
নারায়ণগঞ্জ-১ এ বিএনপির দীপু ভূঁইয়া বিজয়ী : নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের ১২৯টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (দীপু ভূঁইয়া) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ ভোট। দিপু ভূঁইয়ার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা পেয়েছেন ৯০ হাজার ২৮৯ ভোট।
ময়মনসিংহ-৮ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী : ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত এলডিপির প্রার্থী মো. আওরঙ্গজেব বেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৯১ ভোট।
নাটোর-৩ আসনে বিএনপির জয় : নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম আনু জয়ী হয়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীকে হারিয়েছেন তিনি। আনোয়ারুল ইসলাম আনু পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ১৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা (স্বতন্ত্র) দাউদার মাহমুদ পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১৯১ ভোট।
মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী ধানের শীষ : মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী) আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ। বেসরকারি ফলাফলে মধ্যে তিনি দুটি উপজেলায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
রংপুর-৫ এ দাঁড়িপাল্লার জয় : রংপুর-৫ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। সেখানকার ১৫২টি কেন্দ্রের ভোটগণণা শেষে দেখা গেছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী গোলাম রব্বানী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট। তিনি ৬০ হাজারের বেশি ভোটের জয়।
পটুয়াখালী-৪ আসনে জয়ী বিএনপির এবিএম মোশাররফ : পটুয়াখালী-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন। আসনটির ১১১টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে এবিএম মোশাররফ পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৭ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখার প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৩৬ ভোট। তাদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৫৩ হাজার ৭৩১।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতের জয় : কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াতের প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান জয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ১৩০টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ও তার বড় ভাই আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৪৫ ভোট।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির নাছির নির্বাচিত : সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. নাছির চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৫২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ হাজার ২২০ ভোট।
সিলেট-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ নির্বাচিত : সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯২৩ ভোট।
সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ মালিক নির্বাচিত : সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এম এ মালিক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ২৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দীন রাজু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬১৪ ভোট।
সিলেট-২ আসনে বিএনপির তাহসিনা রুশদীর বিজয়ী : সিলেট-২ (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর (লুনা)। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৪৪৬ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জোনায়েদ সাকি নির্বাচিত : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। জোনায়েদ সাকি ৫৫ হাজার ৩৭৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১৫ আসনে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচিত : চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী ২ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়েছেন।
কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির সালাহউদ্দিন নির্বাচিত : কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১১ ভোট।
ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত : ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।
নরসিংদী-৩ আসনে বিএনপির মনজুর এলাহী নির্বাচিত : নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী ৮১ হাজার ৪১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফ উল ইসলাম মৃধা পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪০১ ভোট।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির মজিবর রহমান নির্বাচিত : বরিশাল-৫ (সদর-সিটি করপোরেশন) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে মজিবর রহমান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট।
রংপুর-২ আসনে জামায়াতের এটিএম আজহার বিজয়ী : রংপুর-২ (তারাগঞ্জ এবং বদরগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ টি এম আজহারুল ইসলাম। আসনটির ১৩৭টি কেন্দ্রে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার ৭৯ হাজার ৯১০ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৩ আসনে জয়ী বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা : চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বেসরকারি ফলে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ৭২ হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ আলা উদ্দীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩৭ হাজার ১৫৭ ভোট পেয়েছেন।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতের মোস্তাফিজুর বিজয়ী : কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯১ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৩৫ ভোট। ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা আব্দুস সালাম বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন। মেহেরপুর-১ ও মেহেরপুর-২ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী। লালমনিরহাট ৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব জয়ী।
কুষ্টিয়ার চার আসনের তিনটিতে এগিয়ে জামায়াত, একটিতে বিএনপি। কুমিল্লা-৯ আসনে এগিয়ে বিএনপির আবুল কালাম। ফরিদপুর-১ আসনে এগিয়ে আছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা। ফরিদপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনে এগিয়ে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নায়াব ইউসুফ। ফরিদপুর-১ আসনে এগিয়ে আছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা। বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে ১৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ।