ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের রাজপথ কাঁপানোর সৈনিক শরীফ ওসমান হাদির লাশ গতকাল শুক্রবার দুপুরের পর সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। সেখানকার একটি জেনারেল হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে জানানো হয়, শহীদ ওসমান হাদির লাশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে। তার লাশ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমাগারে রাখা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শহীদ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উিইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। প্রেস উইং জানায়, শহীদ ওসমান হাদির জানাজায় অংশগ্রহণে আগ্রহীদের কোনো ধরনের ব্যাগ বা ভারী বস্তু বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, এ সময় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এদিকে পরিবারের দাবির ভিত্তিতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অকুতোভয় বীর শহীদ ওসমান হাদিকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে বলে জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শহীদ ওসমান হাদিকে বহনকারী গাড়িটি বিমানবন্দর থেকে হিমাগারের উদ্দেশে যাত্রা করে। সেখানে লাশ রেখে শাহবাগে অবস্থান নেবেন ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা। হাদির লাশ আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আনা হবে। লাশ দেখার কোনো সুযোগ থাকবে না। সবার কাছে শৃঙ্খলা বজায় রাখার এবং শহীদ ওসমান হাদির জন্য দোয়া পৌঁছানোর অনুরোধ করা করা হয়েছে।
