ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে আজ শুক্রবার থেকে মাঠে নামছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে তারা কাজ করবেন। ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত প্রতিটি উপজেলা ও থানায় ন্যূনতম দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত আচরণবিধি মানাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নিয়োগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন।
চিঠিতে বলা হয়,ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন-২০০৯-এর আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য প্রতি উপজেলা বা থানায় ন্যূনতম দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এজন্য আচরণবিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি উপজেলা বা থানায় ন্যূনতম দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতে প্রাসঙ্গিক সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবার জন্য লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য ৩ লাখ ১০ হাজার ৪১৪ প্রবাসী নিবন্ধন করেছেন। এখন গুগল প্লে-স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। তফসিল ঘোষণার পর ভোটের দায়িত্বে যারা থাকবেন তারা ১৬ বা ১৭ ডিসেম্বর থেকে নিবন্ধন করতে পারবেন। কয়েদিরা ২১ থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত করতে পারবেন। আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্বে মোতায়েনের পর পারবেন। ইসি সচিব বলেন, পরিপত্র রেডি করা আছে। লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ডের জন্য যা প্রাসঙ্গিত হবে, তার সব নিশ্চিত করব। দলগুলোরও সদিচ্ছা থাকতে হবে। নিশ্চয়ই তারা সহায়তা করবে। কেউ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
গাজীপুর ও বাগেরহাটের আসন সংক্রান্ত ইসির গেজেট অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, আদালতের রায় আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করে। তবে গাজীপুর ও বাগেরহাটের আসনের গেজেট আদালতের আদেশ অনুযায়ী হবে। তিনি বলেন, ভোটের সময় প্রশাসনে রদবদল চলমান প্রক্রিয়া। ইসির অনুমতি, সম্মতি বা পরামর্শের সাপেক্ষে রদবদল করা হবে।
