ঢাকাসোমবার , ২৫ আগস্ট ২০২৫
  • অন্যান্য

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ৬ সেপ্টেম্বর

জয়পত্র ডেস্কঃ
আগস্ট ২৫, ২০২৫ ৩:০২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশের আকাশে রোববার ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে পূর্ণ (৩০ দিন) হয়েছে পবিত্র সফর মাস। আজ সন্ধ্যায় শুরু হবে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস। এ কারণে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর শনিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।
বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে রোববার সন্ধ্যায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, সভায় চাঁদ দেখাসংক্রান্ত নীতিমালার খসড়া উপস্থাপিত হলে এ সংক্রান্ত ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) আ. ছালাম খান, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা নিজামূল কবীর, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আ. আউয়াল হাওলাদার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর ও চরমোনাই আহছানাবাদ রশিদিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মানবজাতির শিরোমণি মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের দিন ১২ রবিউল আউয়াল। এ দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। ১৪শ বছর আগে এই দিনে আরবের মরু প্রান্তরে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আবার এই দিনে তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।
একসময় গোটা আরব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানান অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ যুগকে বলা হতো আইয়ামে জাহেলিয়াত। তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তিপূজা করত। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলকে আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহ তায়ালা রাসূলুল্লাহকে (সা.) এ বিশ্বে পাঠান। মহানবী (সা.) অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত পান। পবিত্র কুরআন শরিফে বর্ণিত আছে, ‘মহানবীকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীই সৃষ্টি করতেন না’। এসব কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এ দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি।