নদীপথে এসে হঠাৎ গুলি। ভারী অস্ত্র নিয়ে ফিল্মি স্টাইলে মহড়া। গত বৃহস্পতিবার সকাল ও দুপুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাড়া ইউনিয়নের ইসলাম পাড়া ঘাটে। বালুমহালের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রকাশ্যে এমনকাণ্ডে আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। নিরাপত্তা চেয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ঈশ্বরদীর সাধারন মানুষ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসলামপাড়া ঘাটে মানববন্ধনের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। স্থানীয়রা জানান, ঈশ্বরদীর পাশের উপজেলা নাটোরের লালপুরের ‘সন্ত্রাসী’ কাকন,লালপুর ও ঈশ্বরদীর বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ করতে চান। এ নিয়ে প্রায়ই কাকনের লোকজন নদীপথে এসে স্থানীয় লোকজন ও বালু ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়।
বৃহস্পতিবার সকালে কাকন বাহিনীর লোকজন এসে প্রথমে গুলিবর্ষণ এবং বালু ব্যবসায়ীদের অফিস ভাঙচুর করে। নদীতে মাঝিদেরও মাছ ধরতে বাধা দেয় । নদীতে নামলেই তারা এসে গুলি করছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দারা আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। রাতে বাড়িতেও থাকতে পারছেন না তারা।
গুলি ও মহড়ার পর বিকেলে সেনাবাহিনী,বিজিবি,র্যাব,পুলিশ ও নৌপুলিশের সমন্বয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুন নুর বলেন, বালুমহাল নিয়ে দু’দিন গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় যুবদল নেতা মেহেদী হাসান বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেছে। মামলার তদন্ত চলছে। আজকে আবারও দুষ্কৃতকারীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনা পর্য়বেক্ষনে যৌথবাহিনীর অভিযানে চলমান রয়েছে। এ ব্যাপারে কাকনের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
