ঢাকারবিবার , ১৮ মে ২০২৫
  • অন্যান্য

পাবনায় অফিস পোড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

জয়পত্র ডেস্কঃ
মে ১৮, ২০২৫ ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলা জামায়াতের কার্যালয় পোড়ানোর প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। অগ্নিসংযোগের সময় জামায়াতের দলীয় অফিসে রক্ষিত পবিত্র কোরআন পুড়ে যায়। নেতাকর্মীরা পোড়ানো কোরআন শরীফ দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। অবিলম্বে দোষী বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও থানার ওসির প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় আটঘরিয়ার দেবোত্তরস্থ উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হোন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল জামায়াতের কার্যালয়ের পোড়ানো বিভিন্ন চিত্র সাংবাদিকদের ঘুরে দেখান। পরে তারা পাবনা-আটঘরিয়া সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল, সহকারী সেক্রেটারি এস এম সোহেল ও উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা নকিবুল্লাহ প্রমুখ।
অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল বলেন, উপজেলা বিএনপির চাঁদাবাজ ও দখলবাজ সন্ত্রাসীরা শুধু জামায়াতের কার্যালয় পোড়ায়নি তারা ইসরাইলের কায়দায় বর্বর হামলা চালিয়ে পবিত্র কোরআন ও হাদিসসহ বিভিন্ন ইসলামী বইপত্র পুড়িয়েছে। অবিলম্বে এ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। এছাড়া আটঘরিয়ার থানার ওসি সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, অবিলম্বে থানার ওসিকেও প্রত্যাহার করতে হবে।
উল্লেখ্য, দেবোত্তর ডিগ্রি কলেজের নির্বাচনে জামায়াত নেতাদের ফরম তুলতে বাধা দেন এবং মারধর করে বের করে দেন বিএনপির নেতারা। এ ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের পর উপজেলা বিএনপির নেতা আলমের অফিস ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলা জামায়াতের অফিসে ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। এসব ঘটনায় একে অপরের ওপর দোষারোপ করেছেন বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা।
আটঘরিয়া থানার ওসি মো. শফিকুজ্জামান বলেন, উভয়পক্ষ উভয়পক্ষের অফিস ভাঙচুর করেছে। কিছুটা সংঘর্ষ হয়েছে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ দিলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।