ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ঈশ্বরদী আলহাজ্ব মোড় বিজয়স্তম্ভ সংলগ্ন ১৯৭১ সালের রাজাকারদের ধিক্কার জানাবার জন্য স্থাপিত ঘৃনাস্তম্ভ গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ।
এছাড়া পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেখ হাসিনা আবাসিক হলের নামফলক ভেঙে দেওয়া হয়। একই রাতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাহ্ব আবুল কালাম আজাদ মিন্টুর বাসভবন ভাংচুর করা হয় । পতিত এমপি গালিবুর রহমান শরীফের বাড়ির সীমানা চেগার উপড়ে ফেলা হয়। ওলামালীগের সভাপতি ও মিরকামারী আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল জলিলের বাসভবনসহ অনেক স্থাপনা ভাংচুর করা হয় । বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতভর এসব ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের শেখ রাসেল আবাসিক হলের নামফলকও মুছে ফেলা হয়েছে।
এর আগে রাত ৯টার দিকে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের শহীদ চত্বরে শেষ হয়। পরে সেখানে বড় পর্দায় জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পাবনা জেলার আহ্বায়ক বরকত উল্লাহ ফাহাদ বলেন, দেশের কোথাও ফ্যাসিবাদের চিহ্ন থাকবে না ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের শেষ পরিণতি দেখে কেউ যাতে আর ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে সাহস না পায়। ফ্যাসিবাদী পুনঃপ্রতিষ্ঠার কার্যক্রম ছাত্র-জনতা এভাবেই রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।
এ ব্যাপারে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, পাবনা জেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে। নিয়মিত পুলিশের টহল কার্যক্রম অব্যাহত আছে। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। পাবনা জেলা পুলিশ তৎপর আছে। আমরা এরকম কোনো অভিযোগ পায়নি।
