ঢাকাশুক্রবার , ২৫ অক্টোবর ২০২৪
  • অন্যান্য

এইচপিভি টিকা ক্যাম্পেইন-২০২৪ উপলক্ষে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেমিনার অনুষ্ঠিত

জয়পত্র ডেস্কঃ
অক্টোবর ২৫, ২০২৪ ৪:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিনিধি ।। সারাদেশের ন্যায় ঈশ্বরদীতে জরায়ু মূখ ক্যান্সার প্রতিরোধে বিনামূল্যে ৫ম শ্রেনী হতে ৯বম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত কিশোরী ও ঝরে পড়া ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে এইচপিভি টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাসব্যাপী মাইক্রোপ্ল্যান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত উপজেলার সকল মসজিদের ঈমাম,হাইস্কুল,মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,আইসিটি শিক্ষকদের অংশগ্রহনে সচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে এবং রেজিষ্ট্রেশন শতভাগ নিশ্চিত কল্পে সেমিনার বা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আফতাব হোসেন হোসেন ভূইয়ার সঞ্চালনা ও সভাপতিত্বে সেমিনারে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাৎমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার ফারহানা খান, আব্দুস সালাম ও উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপার ভাইজার আরিফুল ইসলাম। পৌরসভার শৌলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে টিকা দানের মাধ্যমে ২৪ সেপ্টেম্বর এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হবে । উদ্বোধনী দিনে শতাধিক কিশোরীকে টিকাদানের মাধ্যমে এ টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক সুবীর কুমার দাশ। অনুষ্ঠানে ডাক্তার আফতাব ভূইয়া তার বক্তব্যে বলেন, নারীদের অকাল মৃত্যু প্রতিরোধে সরকার যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয় তাই আমি সবাইকে আহ্বান জানাবো দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্নপূর্বক টিকা গ্রহণ করতে পাশাপাশি টিকাদানের সাথে যারা সংশ্লিষ্ট আছেন তাদের সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে তারা যেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা কে পূরণ করতে সকল শিশু-কিশোরীকে টিকার আওতায় আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। ইতোমধ্যে ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, নারীদের জরায়ু মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা প্রদান করা শুরু হয়েছে যা আগামী ১০কর্ম দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে যেখানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের কে টিকা প্রদান করা হবে এবং তারপরেই ১০ বছর থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী যারা কোন প্রতিষ্ঠানের পড়াশোনা করে না তাদেরকে টিকা প্রদান করা হবে এজন্য আমরা একটি মাইক্রোপ্ল্যান কর্মসূচি গ্রহণ করেছি যা আগামী ১৮ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। তিনি আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী পরিক্ষিত ও নিরাপদ এ টিকা গ্রহনে ভীত না হয়ে শিশু-কিশোরীকে নিবন্ধন সম্পন্নপূর্বক টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।