নিজস্ব প্রতিনিধি ।। ঈশ্বরদী উপজেলার একটি গ্রামে এক রাতে বসতবাড়ি এবং গোডাউনসহ মোট ৬টি স্থানে চুরি এবং চুরিচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। গত ১৬ অক্টোবর বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারী মাথালপাড়া গ্রাম এলাকায় রাতভর এসব চুরির ঘটনা ঘটে । ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকগণ হলো-আলাউদ্দিন মহরী,আবু তাহের বিশ্বাস, আব্দুল গণি বিশ্বাস,ওয়াহেদ আলী বিশ্বাস,অনিক এবং কছিম।
এলকাবাসী জানায়, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং একাধিক মামলার কারণে গত ৫ আগস্টের পর থেকেই পরিবারের সাথে থাকেন না আলাউদ্দিন মহরী এবং তার ছোট ছেলে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম-আহবায়ক একরাম হোসেন। বাড়িতে অবস্থানকারী একরামের মা এবং স্ত্রীর অনুপস্থিতি নিশ্চিত করে রাতে তার বাড়িতে কেউ শত্রুতার জেরধরে লুটপাট করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। এ সময় তাদের বাড়ির সীমানা প্রাচীর টপকে বাড়ির কেচি গেটের তালা কেটে প্রতিটি ঘরের আসবাবপত্র ভেঙ্গে ভেতরে থাকা সমস্ত কিছু তছনছ করা হয়। বাড়িতে থাকা নগদ ৪ লক্ষ ২২ হাজার টাকাসহ প্রায় ৬ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছ বলেও জানান তারা। ওই রাতেই একই কায়দায় জানালার গ্রিল কেটে চোর চক্র ঘরে প্রবেশ করে ঘরের ভেতরের সব কিছু তছনছ করার অভিযোগ করেন মো. আবু তাহের বিশ্বাস। সকালে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য বের হলে বাড়িতে চুরির বিষয়ে জানতে পারেন তিনি। তবে তার মোট ক্ষতির পরিমাণ নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। আব্দুল গণি বিশ্বাস জানান, ধারালো কোনো কিছু ব্যবহার করে আমার বাড়ির বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে সংঘবদ্ধ চোর চক্র। তবে আমরা জেগে থাকার কারণে তারা তেমন কিছু না নিয়েই পালিয়ে গেছে। ওয়াহেদ আলী বিশ্বাসের রাস্তা সংলগ্ন গোডাউনের তালা ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে থাই গ্লাস খুলে প্রবেশের চেষ্টা করে চোর চক্র। একই অভিযোগ ভুক্তভোগী অনিক এবং কছিম মালিথার। তবে তাদের ক্ষতির পরিমাণটা নির্দিষ্ট করে কেউই কিছু জানাননি। ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম বলেন, রাতে চুরির বিষয়টি লোক মারফত জানতে ফেরেছি। তবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
