ঈশ্বরদী প্রতিনিধি।। ঈশ্বরদী পৌর এলাকার শেরশাহ রোড এলাকার বাসিন্দা মৃত-আমজাদ হোসেনের ছেলে সাইদুল ইসলাম শহীদ ওরফে চেংঙা বাবু গত ১০ জুন সেমবার ২০২৪ ইং তারিখ ভোর রাতে নিজ বাডীতে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। এসময় সন্তান সালেহীন ও কন্যা সুপ্তি আফরোজ পৃথি নিষ্ঠুর মায়ের আদেশ পালন করতে মৃত্যু পথযাত্রী বাবার স্নেহমাখা আদর ও ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হয়। বাবুর স্বজন ও থানা সূত্রে জানা যায়,স্রী ও সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বাবু ১৭ বছর যাবত সূদুর মরভুমির দেশ সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটাতে শুরু করেন। বিদেশের মাটিতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্জিত টাকা প্রতি মাসে ৮০ হাজার করে স্রী পায়েলের এ্যাকাউন্টে পাঠাতে থাকেন। স্বামীর প্রেরিত বিলাসী জীবন-যাপনে অভ্যস্ত স্রী পায়েল ১৬ থেকে ২০ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা হলে আকাশ চুম্বি স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। সে স্বপ্ন দেখে তার স্বামীর বাড়ি নিজের নামে হতে হবে। সে মোতাবেক মাঝে বিদেশ থেকে ছুটিতে বাড়ি এসে স্তী পায়েলের পাতানো জ্বালে পা দিয়ে এবং পায়েলের ভালবাসার মায়ার জালে হার মেনে সহজ সরল বিশ্বাসে বাড়িটিও লিখে দেন। এ সময় বিদেশ থেকে আনা ৭ লাখ টাকা মূল্যমানের স্বর্ণের অলংকারও বাবু উপহার দেন সহধর্মীনি পায়েলকে। পুনরায় বিদেশ গিয়ে বাবু হটাৎ দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হন। বিদেশ থেকে তাকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বাড়িতে আসতে না আসতেই বোঝা হয়ে যায় বাবু সবার কাছে। চাপ সৃষ্টি করে কাজ করার জন্য। অসুস্থ্য শরীরে গাড়ি চালানোর জন্য জবরদস্তি শুরু করে। এসময় বাবু ব্যবসা করার জন্য স্রী পায়েলের কাছে টাকা চাইলে সে অগ্নিমূর্তী ধারন করে।মন ভেঙ্গে যায় বাবুর।শ্বশুর বাড়ির লোকজনের অসহযোগিতা ও স্রী পায়েলের অর্থের প্রতি মোহ ও বিশ্বাস ঘাতকতায় চরম আঘাত পান বাবু। এরই মধ্যে বাবুর স্রী পায়েল বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে অন্যত্র বসবাস করতে থাকেন। স্বামীর সাথে সম্পর্ক ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করলে বাবু মানষিকভাবে চরম আঘাত প্রাপ্ত হয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত স্রী ও সন্তানদের মুখ দর্শন করতেৃ না পেরে একা একা বন্দি ঘরে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। বিষয়টি মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী বাবুর স্রী পায়েলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা করে বলেন-আর যেন কোন স্বামী এ জাতীয় ডাইনী স্রীর খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত না হন এবং নিজের অর্জিত সম্পদ স্রীর নামে উৎস্বর্গ না করেন।
