ঢাকামঙ্গলবার , ১২ মার্চ ২০২৪
  • অন্যান্য

চিকিৎসকের অবহেলায় জমজম ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

জয়পত্র ডেস্কঃ
মার্চ ১২, ২০২৪ ৫:২৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঈশ্বরদী সদর হাসপাতাল সংলগ্ন জমজম স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তহীনতা ও অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ১১ মার্চ সোমবার নবজাতকের নানা ও নানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন ।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৪ মার্চ সকালে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারি গ্রামের ইমারত আলীর মেয়ে ইসরাত জাহান ¯িœœগ্ধা প্রসব বেদনা নিয়ে পূর্ব থেকে চিকিৎসা দেওয়া ডাক্তার নাফিসা কবিরের পরামর্শে তার মালিকানাধীন জমজম স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে একবার নরমাল ডেলিভারি আরেকবার অপারেশন করার মাধ্যমে সন্তান ডেলিভারী করার কথা বলে প্রসুতির অভিভাবকদের বিভ্রান্তিতে ফেলেন । তবে ডাক্তার নাফিসা কবিরের চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রসুতি এবং বাচ্চার অবস্থা ভাল ছিল বলে জানিয়েছিলেন তিনি । অবশেষে দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর নরমালে ডেলিভারী করে মৃত ছেলে সন্তান প্রসব করান । এসময় প্রসূতির অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে পাবনা ও পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রোগীর শরীরে ১৮ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়। তার জীবন এখনও আশংকাজনক।
জমজম স্পেশালাইজড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডাক্তার নাফিসা কবির জানান, চিকিৎসা প্রদানে তাদের কোনো অবহেলা ছিল না। বাচ্চার পজিশনও ভাল ছিল। প্রচুর পরিমানে প্রসব বেদনা ছিল। এই কারনে নরমাল ডেলিভারি করা হয়েছে। কিন্তু জন্মগত সমস্যা নবজাতকটি জন্ম নেওয়ার পর আর শ্বাস প্রশ্বাস নেয়নি।
নবজাতকের নানা ইমারত আলী জানান,এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের শাস্তির দাবীতে থানায় ও পাবনা সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। কিন্তু প্রতিকার পাবো না,নবজাতকও ফিরে পাবো না,আবার আমার মেয়ের যে ক্ষতি হয়েছে তাও পূরণ হবে না। তাই অভিযোগের দিকে না তাকিয়ে এক সাংবাদিকের মাধ্যমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিমাংসা করে নেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এ ব্যাপারে পাবনা সিভিল সার্জন ডাক্তার শহিদুল্লাহ দেওয়ান জানান,এই বিষয়ে নবজাতকের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ হাতে পাননি। অভিযোগ পেলে কমিটি গঠন করে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান,নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়ে ইমারত আলী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়ে গেছেন। এসআই আব্দুল হালিমকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।