নিজস্ব প্রতিনিধি । বাংলাদেশের সেরা গবেষনা প্রতিষ্ঠান ও ঈশ্বরদীবাসীর গর্বের প্রতিষ্ঠান বাঙলাদেশ সুগার ক্রপ গবেষনা ইনষ্টিটিউট (বিএসআরআই) দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। ফলে তার অভাবনীয় সাফল্য ও অগ্রগতিতে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকারী মহল দিশেহারা হয়ে পড়েছে । সে কারনে প্রতিষ্ঠান বান্ধব এবং লেখক,গবেষক,কবি ও সাহিত্যমনা সাদামনের মানুষ মহাপরিচালক (ডিজি) ড.ওমর আলীর বিরুদ্ধে নানা রকম কুৎসা ও অপবাদ ছড়িয়ে সুনাম ক্ষুন্নের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে । যিনি নাড়ির টানেই বিএসআরআই কে নিজের প্রতিষ্ঠান মনে করে প্রতিষ্ঠানে বিরাজমান বহুদিনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা,কৃষি বিজ্ঞানীদের মধ্যে নানা রকম চক্রান্ত,কাজে ফাকি দেওয়ার প্রবনতা,বিভ্রান্তী ও মতভেদের মতো জজ্ঞাল দূর করে প্রতিষ্ঠানটিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে কাজে আত্ম নিয়োগ করেছেন । যে কারনে বিএসআরআই অতি অল্প সময়ের মধ্যে পূর্বের যে কোন সময়ের চেয়ে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে।
প্রতিষ্ঠানে বিরাজমান হজবরল অবস্থা থেকে বের করে মাত্র এক বছরের মধ্যে বিএসআরআইকে পরিচ্ছন্ন ও পর্য়টন এলাকা হিসেবে প্রস্ফুটিত করেছেন,যা পরিদর্শনকারী সকলের দৃষ্টিকে আকৃষ্ঠ করেছে। বিশেষ করে প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়ালে এ অঞ্চলের একমাত্র ও ব্যতিক্রমী রাজকীয় গেট নির্মাণ করে প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্য়্যকে বহুগুনে বৃদ্ধি করেছেন। শিক্ষাবান্ধব ডিজি হিসেবে ঈশ্বরদীর সর্বোচ্চ নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুগার ক্যান উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈশ্বরদীবাসীর ছেলে মেয়েদের কথা ভেবে ওয়ান থেকে ৫ম শ্রেনী পর্য়ন্ত নতুন আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন। ফলে ঈশ্বরদীর সেরা ছাত্র-ছাত্রীরা ভাল পরিবেশে পড়াশুনার সুযোগ পেয়েছেন । এজন্য নতুন ডিজি ড.ওমর আলীর ভুয়সী প্রসংসা করেছেন ঈশ্বরদীর বিভিন্ন শ্রেনী পেশা ও সমাজের মানুষ।
নব সৃষ্টির আনন্দে ডিজি ওমর আলী সহজ-সরলভাবে মাঠ শ্রমিক থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠানের স্কুল ও অফিসের বিজ্ঞানীদের সব খোঁজ খবর নিচ্ছেন । কোথায় কখন কি কাজ করতে হবে, কি ফসল রোপন করতে হবে, কোখায় কোন জাতের রোগমুক্ত আখ রোপন করতে হবে,গবেষনা বাড়াতে হবে,স্টেভিয়ার চাষ বাড়াতে হবে, দৃষ্টিনন্দন সুশোভিত ফুলের বাগান পরিচর্য়া করতে হবে,বর্জপাত নিরোধ ও পরিবেশ বান্ধব তাল গাছ রোপন করতে হবে,অতিথিদের জন্য মনোরম গেষ্ট হাউজ নির্মান করতে হবে,স্কুলটাকে উন্নত করে ঈশ্বরদীর সকল অভিভাবকদের নিকট গ্রহনযোগ্য করে তুলতে,শিক্ষার মান বাড়াতে,শিক্ষকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে ইত্যাদি কাজ হাতে নিয়ে গোটা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে পরিবর্তনের নান্দনিক ধারায় সম্পৃক্ত করেছেন । ফলে এক শ্রেনীর স্বার্থবাজ ও প্রতিষ্ঠানের শক্র,চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে,উঠে পড়ে লেগেছে ।
কিন্তু ডিজি,যে কোন কাজকে কেবল নেগেটিভ বা সমালোচনার দৃষ্ঠিভঙ্গিতে না দেখে পজিটিভ বা গঠনমুলক দৃষ্ঠিভঙ্গিতে দেখে গর্বের এবং দেশ সেরা গবেষনা প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়াতে আহবান জানান ।
তবে সমাজ সচেতন মহল মনে করেন,প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও মর্য়াদা শতগুন বৃদ্ধি পেয়ে ঈশ্বরদী তথা বাংলাদেশে কৃষি বিপ্লব ঘটাতে উজ্জ্বল ও অভাবনীয় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে ।এ কারনে কুচক্রী ও ষড়যন্ত্রকারী মহলের যে কোন রক্ত চক্ষু মোকাবেলা করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় ঈশ্বরদীবাসী ডিজি তথা প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে ।
